Friday, December 2, 2016

ATN Bangla News | 3 December 2016 at 1:00 AM

Saturday, October 24, 2015

মমতাজের "নান্টু ঘটক"

মমতাজের "নান্টু ঘটক" গানটা যদি কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অথবা জীবনানন্দ লিখতেন, তাহলে কেমন হতো ?
মূল গানঃ
নান্টু ঘটকের কথা শুইনা
অল্প বয়সে করলাম বিয়
মুরুব্বিরা কইলো সবাই
নো টেনশন নো চিন্তা
পাইছো জীবনে দারুন একটা পোলা
পোলা তো নয় সে যে আগুনেরই গোলা গো
পোলা তো নয় সে যে আগুনেরই গোলা !
যদি রবীন্দ্রনাথ লিখতেন, তবে হয়তো হতোঃ
নান্টু ঘটকের বাণী হেরিয়া
কৈশোরে ফুলের মালা পরিয়া
আমায় বিবাহ করিল এক ছেলে ।
অগ্রজেরা এসে দিলেন অভয়
বলিলেন- ওহে আর চিন্তা নয়
জীবনে উত্তম এক বর পেলে......!
যদি নজরুল লিখতেন, তবে হয়তো হতোঃ
বল নান্টু ঘটক
বল আর কতকাল করিবে তুমি
পাত্র খোঁজার নাটক !
হুংকার ধ্বনী শুনিয়া আমার
নান্টু ঘটক হইলো ব্যস্ত আবার ।
পত্রিকার সব বিজ্ঞাপন ফাড়ি
খাটো কালো গরীব ছাড়ি
ঘটক খুজিয়া আনিলো বর ।
অল্প স্বল্প বয়স ভেদিয়া
বাল্য বিবাহের বাধা ছেদিয়া
তাহার সহিত বাধিলাম আমি ঘর ।
মম ভক্তিসম গুরুজনে দিলেন চিত্তে আশা
জুটাইয়াছো জীবনে বর একখানা খাসা !
পুরুষ সে নয়, সে যে অগ্নিতে ঠাসা !
ওহে, পুরুষ সে নয়, সে যে অগ্নিতে ঠাসা !
যদি জীবনানন্দ লিখতেন, তবে হয়তো হতোঃ
ভিজে মেঘের কোনো এক দুপুরে,সোনালি ডানার চিল খোঁজার কৈশোরে,
বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ করে,
নান্টু ঘটকের কথায় মালা দেই ধানসিঁড়ি নদীটি’র পাশের কিশোরের গলে ।
কৃষ্ণা দ্বাদশীর জ্যোৎস্না যখন মরিয়া গেছে নদীর চরায়,
হিজল-বট-তমালের নীল ছায়ার মত গুরুজনে এসে ভীড় জমায়,
কহে - নহে এ পুরুষ মাঘের সূর্য ছায়া, সে যেন চৈত্রের অগ্নি গর্ভাধার.
- সংগৃহিত

Saturday, February 7, 2015

কানাডায় স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমোদন


দৈনিক প্রথম আলো | অনলাইন ডেস্ক | আপডেট:
চিকিৎসকদের সহায়তায় স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ করার অনুমোদন দিয়েছে কানাডার সুপ্রিম কোর্ট। গতকাল শুক্রবার আদালতের দেওয়া রায়ের ফলে দেশটিতে স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা ব্যাপারটি আইনি স্বীকৃতি পাবে।
আজ শনিবার রয়টার্সের খবরে জানানো হয়, প্রাপ্তবয়স্ক কোনো ব্যক্তি তীব্র শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণায় ভুগলে, অনিরাময়যোগ্য শারীরিক অবস্থা হলে এবং অসুস্থতা কখনোই সারবে না—কেবল এমন ক্ষেত্রে স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করা যাবে। আগামী এক বছরে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
বর্তমানে মৃত্যুবরণে চিকিৎসকের সহায়তার বিষয়ে যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, এর সঙ্গে একমত পোষণ করেননি আদালত। স্বেচ্ছায় প্রাণত্যাগে লোকজনের অধিকার না থাকার বিষয়েও একমত হননি আদালত।
এর আগে ১৯৯৩ সালে আত্মহত্যা নিষিদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে একটি আবেদন করা হয়। বিচারকদের ৫-৪ বিভক্তি রায়ে আত্মহত্যা নিষিদ্ধ করার ব্যাপারটি টিকে যায়। এরপর গত বছর আবার এ বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর গতকাল রায় ঘোষণা করা হলো।