Thursday, October 10, 2013

মহান বিজয় দিবস নিয়ে কিছু কথা

Tuesday, September 24, 2013

                                 only Breakfast

Saturday, August 10, 2013


বাস্তবের টারজান মিলল ভিয়েতনামের জঙ্গলে  !

 

: দূরদেশ ডেস্ক ::
গল্পকথার সেই টারজানের দেখা মিলবে বাস্তবে! এমনটা ভাবেননি নিশ্চয়ই। কিন্তু এবার সে অবাস্তব চরিত্রটির দেখা মিললো বাস্তবে। তা-ও একজন নয়, দুজন টারজানের! এই টারজানদ্বয়ের দেখা মেলে ভিয়েতনামের একটি গভীর জঙ্গলে।

টানা চল্লিশ বছর কেটে গিয়েছে গভীর জঙ্গলে। সভ্য সমাজ, তার রীতিনীতি, আদব-কায়দা ভুলে গিয়েছিলেন তারা। কিন্তু আচমকাই ছন্দপতন। ক’জন নাছোড় মানুষের হাত ধরে ফিরতে হচ্ছে সভ্য সমাজে।
জঙ্গলে বাসকরা এ মানুষ দুজন সম্পর্কে বাবা-ছেলে। তাদের নাম অবশ্য টারজান নয়। একজনের নাম হো ভ্যান থান এবং অন্যজনের নাম হো ভ্যান ল্যাং। বাবার বয়স ৮০, ছেলের বয়স ৪১। প্রায় ৪০ বছরের জঙ্গল বাস শেষ করে 'সভ্য' সমাজে ফিরেছেন তারা।
যুদ্ধের অভিঘাত সামলাতে না পেরে যে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সে জঙ্গল থেকেই তাঁদের খুঁজে পেয়েছেন কাঠুরের দল। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তাদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
অথচ চার দশক আগেও ছবিটা এমন ছিল না। ভিয়েতনামের ছোট্ট গ্রাম ‘ত্রা কেম’-এ তিন ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে দিব্যি ছিলেন হো ভ্যান থান। তার পর এক দিন শুরু হল ভিয়েতনামের যুদ্ধ। আঘাত, প্রত্যাঘাত, মৃত্যু, রক্ত আশপাশের ছবিটা বদলে গেল রাতারাতি। যুদ্ধের আঘাত থেকে বাঁচল না থানের পরিবারও। চোখের সামনে বোমা বিস্ফোরণে স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নারকীয়ভাবে মরতে দেখলেন থান। সেই শেষ।
তথাকথিত সভ্য সমাজের সঙ্গে সেই শেষ চোখাচোখি হয়েছিল থানের। কনিষ্ঠ সন্তান ল্যাংয়ের বয়স তখন মাত্র দুই। সেই শিশুকে নিয়েই ঘর ছাড়লেন থান। বাকিটা কেউ জানে না। নিরুদ্দেশের খাতায় নাম উঠে গেল বাবা-ছেলের।
তার পর পার হয়েছে অনেকটা সময়। থেমেছে যুদ্ধ, এসেছে বদল। চার দশকের ওঠানামায় পরিচিত সকলেই প্রায় ভুলতে বসেছিলেন বাবা-ছেলের কথা। চলছিল স্বাভাবিক জীবন। প্রত্যেক দিনের মতো সে দিনও কাঠের খোঁজে কুয়াং গাই প্রদেশের তে ত্রা জেলার গভীর জঙ্গলে ঢুকেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দূর থেকে তারা দেখলেন, আকার প্রকারে মানুষের মতো দেখতে দু’জন জঙ্গল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মানুষ হয়েও কেমন অসংলগ্ন তাঁদের চালচলন। সন্দেহ হওয়ায় তড়িঘড়ি স্থানীয় প্রশাসনে খবর দেন তারা। তার পরের গল্পটা জানা।
কিন্তু চল্লিশ বছর ধরে কী ভাবে জঙ্গলে কাটালেন তারা! কি খেলেন, কি পরলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাথা বাঁচালেন কিভাবে? অসুস্থতা হলে কি করতেন? বিস্ময় তাদের চার দশকের না জানা ইতিহাস ঘিরে। এসব প্রশ্নের তেমন কোন জবাব এখনো মেলেনি।
যদিও তাদের চালচলন দেখে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, জঙ্গলে তাদের খাবার ছিল বুনো ফল, কচু জাতীয় উদ্ভিদ এবং ভুট্টা। জামা-কাপড় বলতে নিম্নাঙ্গে জড়ানোর জন্য একচিলতে কাপড় যা তৈরি গাছের ছাল থেকে। মাথা বাঁচাতে আশ্রয় বলতে গাছের কাণ্ড দিয়ে তৈরি ছোট্ট কুটির। অনেক প্রশ্নেরই উত্তর অবশ্য জানা নেই। থাকবেই বা কী করে? যারা সে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতেন, সময়ের ব্যবধানে ভাষা ব্যবহারের ক্ষমতাও কমে গিয়েছে তাদের। থান যদি বা অল্পস্বল্প কিছু বলতে পারেন, ল্যাংয়ের সম্বল বলতে মাত্র কয়েকটা শব্দ!
আপাতত চিকিৎসা চলছে তাদের। যে সমাজ থেকে হারিয়ে গিয়েছিলেন তারা, সে সমাজেই ফেরার জন্য নতুন করে সব কিছু শিখতে হচ্ছে তাদের। দেখে শুনে ‘টারজানের’ অনুষঙ্গ টানছেন অনেকেই। কিন্তু জঙ্গলপুত্রের জঙ্গলে ফেরা আর থান-ল্যাংয়ের 'সভ্য' সমাজে ফেরার মধ্যে ফারাকটা স্পষ্ট।
স্বেচ্ছায় ফিরেছিলেন টারজান। থান-ল্যাং ফিরলেন নাছোড় সমাজের চাপে। চার দশক আগে প্রাণ বাঁচানোর আশ্রয়টুকুও দিতে পারেনি যে 'সভ্য' সমাজ, সে জঙ্গলের আড়ালটুকু রাখতে দিল না আজও। আধুনিক 'সভ্য' সমাজ নামধারীরা শান্তিপ্রিয় মানুষ দুটোকে জঙ্গলজীবন থেকে টেনে হিঁচড়ে ফের কলহের সমাজে এনে ছাড়ল।   

News : http://www.poriborton.com/assets/img/logo.png

Wednesday, August 7, 2013

                                "মনটাকে তুই শক্ত করে দাঁড়া 
                                 দুঃখতাপে হোস না দিশাহারা । "

Monday, July 29, 2013

কবি হেলাল হাফিজ
 
ফেরীঅলা 
- হেলাল হাফিজ
------------------------------------------------------------------
কষ্ট নেবে কষ্ট
হরেক রকম কষ্ট আছে
কষ্ট নেবে কষ্ট !
লাল কষ্ট নীল কষ্ট কাঁচা হলুদ রঙের কষ্ট
পাথর চাপা সবুজ ঘাসের সাদা কষ্ট,
আলোর মাঝে কালোর কষ্ট
‘মালটি-কালার’ কষ্ট আছে
কষ্ট নেবে কষ্ট ।
ঘরের কষ্ট পরেরর কষ্ট পাখি এবং পাতার কষ্ট
দাড়ির কষ্ট
চোখের বুকের নখের কষ্ট,
একটি মানুষ খুব নীরবে নষ্ট হবার কষ্ট আছে
কষ্ট নেবে কষ্ট ।
প্রেমের কষ্ট ঘৃণার কষ্ট নদী এবং নারীর কষ্ট
অনাদর ও অবহেলার তুমুল কষ্ট,
ভুল রমণী ভালোবাসার
ভুল নেতাদের জনসভার
হাইড্রোজনে দুইটি জোকার নষ্ট হবার কষ্ট আছে
কষ্ট নেবে কষ্ট ।
দিনের কষ্ট রাতের কষ্ট
পথের এবং পায়ের কষ্ট
অসাধারণ করুণ চারু কষ্ট ফেরীঅলার কষ্ট
কষ্ট নেবে কষ্ট ।
আর কে দেবে আমি ছাড়া
আসল শোভন কষ্ট,
কার পুড়েছে জন্ম থেকে কপাল এমন
আমার মত ক’জনের আর
সব হয়েছে নষ্ট,
আর কে দেবে আমার মতো হৃষ্টপুষ্ট ক
ষ্ট ।

Friday, July 26, 2013

বিল গেট্‌স -----একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গেছে................
খাওয়ার পর বিল গেট্‌স ওয়েটারকে ৫ ডলার বকশিস দিল
বকসিস পেয়ে ওয়েটার বিল গেট্‌স এর দিকে হা করে তাকিয়ে রইল
ওয়েটারের কাণ্ড দেখে বিল গেট্‌স জিজ্ঞেস করল "কি হয়েছে?আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?
ওয়েটার বলল "স্যার গতকাল আপনার মেয়ে এইখানে নাস্তা করার পর আমাকে ১০০ ডলার বকসিস দিয়েছেন আর আপনি তার বাবা
এবং এত বড় ধনী হয়ে আমাকে মাত্র ৫ ডলার দিলেন?
বিল গেট্‌স হেসে ওয়েটারকে বলল" সে হচ্ছে বিশ্বের এক নম্বর ধনী মানুষের মেয়ে আর আমি হচ্ছি একজন কাঠুরিয়ার ছেলে"

Moral: কখনো আপনার অতীতকে ভুলে যাবেন না । অতীত হচ্ছে একজন মানুষের সবচেয়ে ভাল শিক্ষক"

Uploaded videos (playlist)

Thursday, July 25, 2013

 হাসি আসেনা তবুও একটু হাসার চেষ্টা করি !!

টিভির এক চ্যানেলে গতানুগতিক লাইভ প্রোগ্রাম
হচ্ছে.
উপস্থাপিকাঃ “হ্যালো, আপনি কোথা থেকে কল
করছেন??”
কলারঃ “ঢাকা থেকে”
উপস্থাপিকাঃ “ঢাকার কোথা থেকে?”
কলারঃ “লালমাটিয়া”
উপস্থাপিকাঃ “ওয়াও! আমিও লালমাটিয়াতে থাকি!
লালমাটিয়ার কোথায় থাকেন আপনি?”
কলারঃ “আমিনুদ্দি এপার্টমেন্টে”
উপস্থাপিকাঃ “কি আশ্চর্য!! আমিও তো ওই
এপার্টমেন্টে থাকি!!
আপনার ফ্ল্যাট নাম্বার কত??”
কলারঃ “আরে উজবুক!! আমি তোমার স্বামী!! বাসার
চাবি তুমি কোথায় রেখে গেছ???!!!”


একটি বালিশের আত্মকথা

Monday, July 22, 2013

 

  তুই কি আমার দুঃখ হবি?--আনিসুল হক

তুই কি আমার দুঃখ হবি?
এই আমি এক উড়নচন্ডী আউলা বাউল
রুখো চুলে পথের ধুলো
চোখের নীচে কালো ছায়া
সেইখানে তুই রাত বিরেতে স্পর্শ দিবি।

তুই কি আমার দুঃখ হবি?
তুই কি আমার শুষ্ক চোখে অশ্রু হবি?
মধ্যরাতে বেজে ওঠা টেলিফোনের ধ্বনি হবি?
তুই কি আমার খাঁ খাঁ দুপুর
নির্জনতা ভেঙে দিয়ে
ডাকপিয়নের নিষ্ঠ হাতে
ক্রমাগত নড়তে থাকা দরজাময় কড়া হবি?
একটি নীলাভ এনভেলাপে পুরে রাখা
কেমন যেন বিষাদ হবি?

তুই কি আমার শুন্য বুকে
দীর্ঘশ্বাসের বকুল হবি?
নরম হাতের ছোঁয়া হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি,
নীচের ঠোট কামড়ে ধরা রোদন হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি
প্রতীক্ষার এই দীর্ঘ হলুদ বিকেল বেলায়
কথা দিয়েও না রাখা এক কথা হবি?
একটুখানি কষ্ট দিবি

তুই কি একা আমার হবি?

তুই কি আমার একান্ত এক দুঃখ হবি?

Uploaded videos (playlist)

Saturday, July 20, 2013

 
 হুমায়ুন আহমেদ এর উক্তি

পাখি উড়ে গেলেও পলক
ফেলে যায় আর মানুষ
চলে গেলে ফেলে রেখে যায়
স্মৃতি ।
--------- হুমায়ূন আহমেদ

ঈশ্বর যদি কাউকে মারতে চান তাহলে কি তার কোন আয়োজন করার প্রয়োজন আছে ? তাহলে মরতে কিসের ভয় , একবারই তো মরতে হবে ।
----------- হুমায়ূন আহমেদ

চাঁদের বিশালতা মানুষের মাঝেও আছে, চাঁদ এক জীবনে বারবার ফিরে আসে...ঠিক তেমন মানুষ প্রিয় বা অপ্রিয় যেই হোক,একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে..
-------- হুমায়ূন আহমেদ

ভালবাসাবাসির ব্যাপারটা হাততালির মতো। দুটা হাত লাগে। এক হাতে তালি বাজে না। অর্থাৎ একজনের ভালবাসায় হয় না......

--------হুমায়ূন আহমেদ

হারিয়ে যাওয়া মানুষ ফিরে আসলে সে আর আগের মত থাকে না….. কেমন জানি অচেনা অজানা হয়ে যায় । সবই হয়তো ঠিক থাকে কিন্তু কি যেন নাই…… কি যেন নাই……
--------হুমায়ূন আহমেদ

আমার হারিয়ে ফেলার কেউ নেই । কাজেই খুঁজে পাওয়ারও কেউ নেই । আমি মাঝে মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলি , আবার খুঁজে পাই..
------হুমায়ূন আহমেদ

"যে স্বপ্ন দেখতে জানে ,সে তা পূর্ণও করতে পারে"
আমরা মনে হয় স্বপ্ন দেখাই ভুলে গেছি...আর যেটুকুই বা দেখি তা নিজেরাই বিশ্বাস করতে চাই না...তাই পূর্ণও করতে পারি না।
--------হুমায়ূন আহমেদ

নারীদেরকে সৃষ্টিকর্তা পূর্ণতা দিয়েই পাঠিয়েছেন । শুধু পূর্ণতাই না অতিরিক্ত দিয়ে দিয়েছেন। তাই তো আমরা ‘অপূর্ণ পুরুষ’ পূর্ণ হতে এই নারীদেরই প্রয়োজন হয়.
------হুমায়ূন আহমেদ

তুমি দশটি সত্য এর মাঝে একটি মিথ্যা মিশিয়ে দাও…সেই মিথ্যাটিও সত্য হয়ে যাবে…কিন্তু তুমি দশটি মিথ্যার মাঝে একটি সত্য মিশাও… সত্য সত্যই থেকে যাবে….সেটি আর মিথ্যা হবে না…সত্য আসলেই সুন্দর…
--------হুমায়ূন আহমেদ

নোংরা কথা শুনতে নিষিদ্ধ আনন্দ আছে, কথা যত নোংরা তত মজা।
-----------হুমায়ুন আহমেদ

যাদের জীবনে মজার অংশ কম …তারা অন্যের মজা দেখে আনন্দ পায় …দুধের স্বাদ ভাতের মাড়ে মেটানোর মত.
------------হুমায়ুন আহমেদ

জীবনটা আসলেই অনেক সুন্দর!
এতো বেশি সুন্দর যে, মাঝে মাঝে অসহ্য লাগে।
----------হুমায়ুন আহমেদ

ছেলে এবং মেয়ে বন্ধু হতে পারে,
কিন্তু তারা অবশ্যই একে অপরের প্রেমে পড়বে।

হয়ত খুবই অল্প সময়ের জন্য, অথবা ভুল সময়ে।
কিংবা খুবই দেরিতে, আর না হয় সব সময়ের জন্য।

"পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষ আছে কিন্তু একজনও খারাপ বাবা নাই।"
..............হুমায়ুন আহমেদ

এ জগতে সবচে' সুখী হচ্ছে সে, যে কিছুই জানে না।
জগতের প্যাঁচ বেশি বুঝলেই জীবন জটিল হয়ে যায়.
...............হুমায়ুন আহমেদ

অনুশোচনার হাড়ি নিয়ে বসলেও অতীতকে বদলানো যাবে না
------------হুমায়ূন আহমেদ

সবাই তোমাকে কষ্ট দিবে, তোমাকে শুধু এমন একজন
কে খুঁজে নিতে হবে যার দেয়া কষ্ট তুমি সহ্য
করতে পারবে....
-------- হুমায়ূন আহমেদ

যে মানুষটিকে তুমি দেখছো তাকেই যদি ভালো না বাসতে পারো,
তবে তুমি কিভাবে ঈশ্বরকে ভালোবাসবে যাকে তুমি কোনদিন দেখোই নি?
-------- হুমায়ূন আহমেদ

স্বপ্ন থাকা খুবই জরুরি...স্বপ্ন না থাকলে ভোরবেলায় ঘুম থেকে ওঠার কোনো মানেই হয় না...সারা জীবন শুয়ে থাকলেই তো হয়...
-------- হুমায়ূন আহমেদ

মানুষই একমাত্র প্রাণী যে পুরোপুরি সফল জীবনযাপন করে আফসোস নিয়ে মৃতবরণ করে..
------------ হুমায়ূন আহমেদ



কোন কোন রাতে অপূর্ব জোছনা হয়। সারা ঘর নরম আলোয় ভাসতে থাকে। ভাবি, একা একা বেড়ালে বেশ হতো।
আবার চাদর মুড়ি দিয়ে নিজেকে গুটিয়ে ফেলি। যেন বাইরের উথাল
পাথাল চাঁদের আলোর সঙ্গে আমার কোন যোগ নেই।
মাঝে মাঝে বৃষ্টি নামে। একঘেয়ে কান্নার সুরের মতো সে শব্দ।
আমি কান পেতে শুনি। বাতাসে জাম গাছের পাতার সর
সর শব্দ হয়। সব মিলিয়ে হৃদয় হা হা করে উঠে।
আদিগন্ত বিস্তৃত শূন্যতায় কি বিপুল বিষণ্ণতাই না অনুভব করি। জানালার ওপাশের অন্ধকার
থেকে আমার সঙ্গীরা আমায় ডাকে। একদিন যাদের সঙ্গ পেয়ে আজ নিঃসঙ্গতায় ডুবছি ...

-------হুমায়ূন আহমেদ


 

Tuesday, July 16, 2013

হাসানের এক পা নীল হয়ে যায়।
ডাক্তার বললঃ পায়ে ভয়ংকর একটা ইনফেকশন হয়েছে।
ইমিডিয়েটলি অপারেশন করে পা কেটে ফেলতে হবে।
নইলে ইনফেকশন সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়বে।
হাসান তা-ই করল।
কয়েকদিন পর হাসানের আরেক পা-ও নীল হয়ে যায়।
ডাক্তার ইনফেকশন হয়েছে বলে, সেটাও কেটে ফেলতে বললেন।
হাসান অগত্যা তা-ই করল।
কিন্তু প্লাস্টিকের পা লাগানোর পরও দেখা গেলো সেটাও নীল হয়ে যাচ্ছে।
ডাক্তার এবার গভীর ভাবনায় পড়লেন।
অবশেষে তিনি হাসানের রোগের কারণ বুঝতে পারলেন।

বিষের সংক্রামণ নয়।
আসলে হাসানের জিন্সের প্যান্টের নীল রঙ ওঠে !!
সংগ্রহ :  https://www.facebook.com/syed.kamrul2

Monday, July 15, 2013

সুসংবাদঃ দেশে মানবতার জোয়ার বইছে !
দুঃসংবাদঃ সামান্য কয়েকটা খুনের জন্য ভাষা সৈনিক গোআজম কে আদালত ৯০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে !
সদ্য খবরঃ এক চাচা কইলো ,আগে কইতাম নৌকা চলে ভাসিয়া ভোট দিবেন হাসিয়া......এখন কমু নৌকা গেছে ডুবিয়া ,ভোট দিবেন ভাবিয়া !
আসল খবরঃ পাবলিক আসলেই ছাগল,যা খাবায় তা খায় !
একটি মজার জোকস
বাপকা বেটা

বাচ্চা: আব্বু, এক গ্লাস পানি দিয়ে যাও।
বাবা: তুমি নিজে এসে নিয়ে যাও।
বাচ্চা: না, তুমি দিয়ে যাও।
বাবা: দ্বিতীয়বার আমার কাছে পানি চাইলে আইসা দুইটা থাপ্পড় মারবো।
বাচ্চা: আব্বু, যখন থাপ্পড় মারার জন্য আসবে তখন আমার পানিটাও নিয়ে এসো   । ..
 সংগ্রহ : উন্মাদ ফান পেইজ